প্রশ্ন । সাধ্যপদ কাকে বলে ?
উত্তর : সিদ্ধান্তের বিধেয়কে সাধ্যপদ বলে । P- অক্ষর দ্বারা তা চিহ্নিত হয় ।
প্রশ্ন । হৈতুপদ কাকে বলে ?
উত্তর : অন্য তৃতীয় পদটি হল হেতুপদ । হেতুপদ দুটি যুক্তিবাক্যের মধ্যে যােগাযােগ তৈরি করে । এর কাজ ঘটকের মতাে কিন্তু নিজে সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থাকে । M - অক্ষর দ্বারা তা চিহ্নিত হয় ।
প্রশ্ন । পক্ষবাক্য কাকে বলে ?
উত্তর : পক্ষপদ যার সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে পক্ষবাক্য বা অপ্রধান আশ্রয়বাক্য বলে ।
প্রশ্ন । সাধ্যবাক্য কাকে বলে ?
উত্তর : সাধ্যপদ যার সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে সাধ্যবাক্য বা অপ্রধান আশ্রয়বাক্য বলে ।
প্রশ্ন । ন্যায় অনুমানে হেতুপদের কাজ কী ?
উত্তর : ন্যায় অনুমানে হেতুপদ ঘটকের কাজ করে । ঘটক যেমন পাত্রপাত্রীর মধ্যে যােগাযােগ করে দেয় কিন্তু নিজে বিয়েতে অনুপস্থিত থাকে তেমনি হেতুপদ পক্ষবাক্য ও সাধ্যবাক্যের মধ্যে সম্বন্ধ তৈরি করে সিদ্ধান্ত গঠন করে কিন্তু নিজে সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থাকে ।
প্রশ্ন । ন্যায়ের সংস্থান কাকে বলে ?
উত্তর : একটি ন্যায় অনুমানে দুটি যুক্তিবাক্যে দুটি হেতুপদ থাকে , এই দুটি হেতুপদের ভিন্ন অবস্থান অনুযায়ী ন্যায়ের যে ভিন্নভিন্ন আকার হয় তাকে ন্যায়ের সংস্থান বলে । সংস্থান ৪ টি প্রথম , দ্বিতীয় , তৃতীয় , চতুর্থ ।
প্রশ্ন । চারপদঘটিত দোষ কখন ঘটে ?
উত্তর : আমরা ন্যায়ের সাধারণ নিয়মাবলি থেকে জানি একটি ন্যায়ে ৩টি পদ থাকে কিন্তু যদি তিনটির বেশি চারটি পদ থাকে তাহলে এই দোষের উদ্ভব ঘটে ।
যেমন — A — মানুষ হয় মানুষের স্রষ্টা ।
A — ভগবান হয় পাপের স্রষ্টা ।
A — ভগবান হয় মানুষের স্রষ্টা ।
ওপরের উদাহরণটিতে তিনটির বদলে চারটি পদ আছে । এই চারটি পদ হল — ( ১ ) মানুষ, ( ২ ) মানুষের স্রষ্টা ( ৩ ) পাপের স্রষ্টা ( ৪ ) ভগবান ।
প্রশ্ন । অনেকার্থক দোষ কাকে বলে ?
উত্তর : একটি ন্যায় অনুমানে তিনটি পদই থাকবে কিন্তু কোনাে পদ যদি দুটি আশ্রয়বাক্যে ভিন্নভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাহলে অনেকার্থক দোষের উদ্ভব ঘটে ।
যেমন — A — সব অশিক্ষিত ব্যক্তিহয় অন্ধ ।
A — সে হয় অন্ধ ।
A — সে হয় অশিক্ষিত ।
প্রধান আশ্রয়বাক্যে অন্ধ = অজ্ঞ ।
দ্বিতীয় আশ্রয়বাক্যে অন্ধ = চোখে দেখতে না পাওয়া ।